বিভব ও বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ ও পটেনশিয়াল ডিফারেন্স ( Voltage and potential difference )

🎉স্বাগতম সবাইকে ইলেক্ট্রোম্যাথ এর পক্ষ থেকে…  “বৈদ্যুতিক শক্তির পরিচয়” এই কোর্সে আমরা, বিভব ও বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ ও পটেনশিয়াল ডিফারেন্স ( Voltage and potential difference ) সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব।

⚛ বিভব –  ( ইংরেজি বলে Voltage ) অর্থাৎ বৈদ্যুতিক চাপ ।
পরিবাহীর পরমাণুগুলোর ঋণাত্বক কণিকা বা ইলেকট্রনসমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন তাকে ভোল্টেজ বলে ।

অন্যভাবে বলা যায়, শূণ্য বিভবের স্থান থেকে একক ধণাত্মক চার্জকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোন বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয় তা হল ঐ স্থানের ভোল্টেজ । ভোল্টেজের প্রতীক  V এবং একক Volt (ভোল্ট)

⚛ বিভব পার্থক্য –  শূণ্য বিভবের স্থান থেকে যদি 1C (কুলম্ব) ধণাত্মক চার্জকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোন বিন্দুতে আনতে 1J (জুল) কাজ করতে হয় তাহলে ঐ বিন্দুর বিভবকে 1V (ভোল্ট) বলে। অর্থাৎ V= W/Q

চিত্র: বিভব পার্থক্য

বিভিন্ন কাজে বিভব পার্থক্য ব্যবহার করা হয়। কারণ একটি বিন্দু থেকে আরেকটি বিন্দুতে তড়িৎ প্রবাহ করতে হলে অবশ্যই বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে হবে।

⚛ বিভব পার্থক্য নির্ণয় – আমরা যদি কোন সার্কিটের ভোল্টেজ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে ওই সার্কিটের প্রবাহিত কারেন্টের সাথে রেজিস্ট্যান্সকে গুন করে দিতে হবে। অর্থাৎ …

চিত্র: বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের পদ্ধতি

⚛ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ তড়িৎ উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়, আবার পরিবাহীর ইলেক্ট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। কোন বস্তুর ধণাত্মক আধান বৃদ্ধি পাওয়া মানে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পাওয়া।

আজকে পর্যন্তই ইলেকট্রনিক্সের সকল আগ্রহী প্রতি রইল শুভ কামনা ধন্যবাদ সবাইকে!